রুণা খামারু: বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩-তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান আয়োজিত হল সেখানকার প্রশাসনির ভবনের কনভোকেশন হলে। নদিয়ার মোহনপুরের ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার এই উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপাল ড. সি ভি আনন্দ বোস। সমাবর্তন (Convocation) অনুষ্ঠানের পৌরহিত্য করেন তিনি। এছাড়াও ছিলেন স্বনামধন্য কৃষি বিজ্ঞানী তথা ইন্টারন্যাশনাল ক্রপ রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর সেমিয়ারিড ট্রপিকস (ICRISAT)-এর ডিরেক্টর জেনারেল ড. হিমাংশু পাঠক উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী শ্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সম্পাদক স্বামী শিবপ্রদানন্দজি মহারাজ।
বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে কয়েকজন স্বনামধন্য ব্যক্তিত্বকে প্রদান করা হয় ডক্টর অফ সায়েন্স। কৃষিক্ষেত্র ও মানবসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য ড. সুরেশ কুমার চৌধুরী, ড. সৌরিন্দ্র প্রসাদ ঘোষ, ড. পুরাঞ্জন দাস, শ্রীমতি মল্লিকা শ্রীনিবাসন-কে এই সম্মান প্রদান করা হয়।
এছাড়াও কৃষিতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনজনকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয় বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে। বিধান কৃষি রত্ন অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত করা হয় ড. তাপস কুমার দাস-কে, বিধান কৃষি উদ্যোগপতি অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয় শ্রী সুদীপ ভুঁই-কে এবং নদীয়া জেলার প্রতিগতিশীল কৃষকে জনাব কুতুবুদ্দীন বিশ্বাস-কে প্রদান করা হয় বিধান কৃষক শিরোমণি অ্যাওয়ার্ড।
শেষ তিন বছরের মোট ১৩৬৮ জন পড়ুয়া-কে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ৬৬০ জন স্নাতক, ৪৬৪ জন স্নাতকোত্তর এবং ২৪৪ জন ডক্টরেট ডিগ্রি পান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধান চন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (Bidhan Chandra Krishi Viswavidyalaya ) সাফল্যের কাহিনি তুলে ধরেন উপাচার্য ড. অশোক কুমার পাত্র।