সুদীপ্ত চক্রবর্তী: ইপিএফও-র ন্যূনতম পেনশন বৃদ্ধির দাবি আরও জোরদার করল ন্যাশনাল অ্যাজিটেশন কমিটি বা ন্যাক। আগস্টের ৪ ও ৫ দিল্লির যন্তর মন্তরের সামনে দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে অবস্থান বিক্ষোভে যোগ দিলেন অন্তত ২৫ হাজার আন্দোলনকারী। ছিলেন সংগঠনের সর্বভারতীয় সভাপতি অশোক রাউত, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বীরেন্দ্র সিং রাজওয়াত, সর্বভারতীয় মুখ্য আহ্বায়ক রমাকান্ত নারগুন্ড সহ আরও বিশিষ্টরা।
তবে এবারের যন্তর মন্তরের সমাবেশ (Agitation at Jantar Mantar) ইতিপূর্বের সমস্ত আন্দোলনকে ছাপিয়ে গেল। মহারাষ্ট্র থেকে তিনটি রাজনৈতিক দলের ২৫ জন সাংসদ যোগ দিয়েছিলেন ন্যাকের এই সমাবেশে। ওই সমস্ত সাংসদরা সংগঠনের নেতাদের আশ্বাস দিয়েছেন, তাঁদের দাবিদাওয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দরবার করবেন তাঁরা। কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্যর সঙ্গে। মহারাষ্ট্রের তিনটি রাজনৈতিক দল হল শিবসেনা-এনডিএ জোট, শিবসেনা-কংগ্রেস জোট ও এনসিপি।
দেশজুড়ে প্রায় ৮০ লক্ষ পেনশন (EPS Pension) প্রাপক রয়েছেন। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে এই সংখ্যাটা ৮ লক্ষেরও বেশি। সংগঠনের দাবি, মিনিমাম পেনশন হিসেবে ৭,৫০০ টাকার সঙ্গে ডিএ সহ সমস্ত ইপিএস পেনশনারদের চিকিৎসার সুবিধাও দিতে হবে। এনিয়ে ন্যাকের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি শ্রী তপন দত্ত বলেন, “আমরা গত ৮ বছর ধরে সমগ্র দেশব্যাপী লড়াই করছি ইপিএস পেনশনারদের (EPS Pensioner) জন্য। ৩১ আগস্টের মধ্যে কেন্দ্র পেনশন বৃদ্ধির কথা ঘোষণা না করলে এরপর আমরা সংসদ ভবনের সামনে আমরণ অনশনে বসব।”