৮ মার্চ সল্টলেকের পেনশন অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ দেখালেন এনএসি বা ন্যাক-এর বয়স্ক সদস্যরা।
Share it

নিউজ ওয়েভ ইন্ডিয়া: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর অমৃত মহোৎসবের ঘোড়া যখন টগবগিয়ে ছুটছে, তখন দেশজুড়ে সমান্য কিছু পেনশন বৃদ্ধির দাবিতে মরণপণ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন একদল প্রবীণ-প্রবীণা। অবিলম্বে ন্যূনতম পেনশন ৭৫০০ টাকা করা সহ ডিএ এবং পেনশনার দম্পতিকে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধার দাবিতে ফের আন্দোলন করল ইপিএস ৯৫ পেনশনাররা।

৮ মার্চ সল্টলেকের পেনশন অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ দেখালেন এনএসি বা ন্যাক-এর বয়স্ক সদস্যরা। কয়েকশো সদস্য ওইদিন সল্টলেকের পেনশন অফিসের সামনে বেশ কিছুক্ষণ ধরনায় বসেন। ন্যাকের সভাপতি তপন দত্ত ছাড়াও ছিলেন সচিব পঙ্কজ দাশগুপ্ত, অর্থ সচিব অমিয় কুমার দাস ও দলের অন্যান্য সদস্যরা। সভাপতি তপন দত্ত জানান, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইপিএস ৯৫ পেনশনারদের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা এখনও রক্ষা করেননি। লোকসভা ভোটের দিন ঘোষণা সময়ের অপেক্ষা। ভোটের দামামা বেজে গেলে ৩ থেকে ৪ মাস কোনও প্রকল্প ঘোষণা করতে পারবে না কেন্দ্রীয় সরকার। তাই লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই দেশজুড়ে আন্দোলন জোরদার করছেন পেনশন প্রাপকরা।

ইপিএস ৯৫ পেনশনাররা দীর্ঘদিন ধরে খুবই সামান্য পেনশন পাচ্ছেন বলে অভিযোগ। পেনশনারদের অভিযোগ, দীর্ঘ ৩০-৩৫ বছর পেনশন ফান্ডে কন্ট্রিবিউশন করার পরেও ইপিএফও খুবই সামান্য পেনশন দিচ্ছে। যা তাদের কন্ট্রিবিউশনের তুলনায় অনেক কম। ২০১৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকার ন্যূনতম পেনশন হাজার টাকা করা হবে বলে ঘোষণা করলেও ইপিএফও নানা কারণ দেখিয়ে ৩০ লক্ষেরও বেশি পেনশনভোগীদের সেই ন্যূনতম পেনশন হাজার টাকা থেকেও অনেক কম পেনশন দিচ্ছে। এই অবস্থায় বেশ কয়েক মাস ধরে দেশজুড়ে লাগাতার আন্দোলনে নেমেছে ন্যাশনাল অ্যাজিটেশন কমিটি বা এনএসি। এই কমিটির পশ্চিমবঙ্গ শাখার সদস্যরাও এ রাজ্যে জোরদার আন্দোলনের নেমেছেন।

Share it