নিউজ ওয়েভ ইন্ডিয়া: যুদ্ধ থামাতে শর্তসাপেক্ষে আলোচনায় রাজির কথা জানিয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেন দু’পক্ষই। তবে আলোচনার স্থান নিয়ে মতান্তর দেখা দিয়েছে দুই দেশের মধ্যেই। আলোচনার স্থান হিসেবে বেলারুশের নাম জানিয়েছে ক্রেমলিন। তবে বেলারুশে আলোচনায় বসতে রাজি নন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট। এই পরিস্থিতিতে তীরে এসে তরী ডোবার আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
যুদ্ধের তৃতীয়দিনে ক্রেমলিনের তরফে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। যদিও এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজেই ইউক্রেনের আলোচনার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। রবিবার রাশিয়া জানায়, ইউক্রেনের সঙ্গে তারা আলোচনায় বসতে রাজি। কোথায় আলোচনা বসবে, তা-ও জানিয়ে দেয় ক্রেমলিন। বেলারুশে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেওয়া হয় ক্রেমলিনের তরফে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই আলোচনায় বসার প্রস্তাবে রাজি হওয়ার বার্তা দেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভোলোদেমির জেলেনস্কি। ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জানান, তিনিও আলোচনায় বসতে রাজি, কিন্তু তাঁর একটি শর্ত আছে। জেলেনস্কি জানিয়ে দেন, আর যেখানেই হোক, বেলারুশে তিনি রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান না।
সেইসঙ্গে অবশ্য বেলারুশ নিয়ে কেন তাঁর আপত্তি, তাও খোলসা করেছেন জেলেনস্কি। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, আলোচনাস্থল হিসেবে বেলারুশ তাঁর একেবারেই পছন্দ নয়। কারণ, বেলারুশকে ব্যবহার করেই ইউক্রেনে অনুপ্রবেশ করেছে রাশিয়ার সেনা। সেইসঙ্গে জেলেনস্কি আরও পাঁচটি আলোচনার জায়গার নাম বলেছেন। “ওয়ারশ, ব্রাতিস্লাভা, বুদাপেস্ট, ইস্তানবুল, বাকু, এই সবক’টি জায়গার প্রস্তাব দিলাম আমি। এর যে কোনও একটিতে আলোচনায় বসা যেতে পারে।”
যদিও ইউক্রেনের প্রস্তাবে তাৎক্ষণিক কোনও জবাব দেয়নি মস্কো। বরং, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্য়ে যখন যুদ্ধ থামানো নিয়ে আলোচনায় বসার কথা হচ্ছে, তখনও রাশিয়ার সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে একই রকম সক্রিয়। ইউক্রেনের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর খারকিভের উপকণ্ঠে পৌঁছে গিয়েছে তারা।