দেশে সর্বপ্রথম দিল্লিতে চালকবিহীন মেট্রো পরিষেবার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী
দিল্লিতে দেশের প্রথম চালকহীন মেট্রো রেলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এই পরিষেবার সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। আপাতত দিল্লি মেট্রোর ‘ম্যাজেন্টা লাইন’-এ দেশের প্রথম চালকহীন মেট্রো চলবে। পরবর্তীকালে অন্যলাইনেও চালু হবে এই পরিষেবা।
একইসঙ্গে সোমবার প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দর এক্সপ্রেস লাইনে “ন্যাশনাল কমন মোবিলিটি কার্ড” (NCMC)-এর পরিষেবারও সূচনা করেন। নতুন বছরে নতুন ভারতকে দেখতে পাওয়া যাবে উল্লেখ করে মোদী বলেন, এনসিএমসি বিমানবন্দর এক্সপ্রেস লাইনে পরিচালিত হবে। এছাড়াও, দেশের যে কোনও অঞ্চল থেকে ইস্যু করা রুপে-ডেবিট কার্ড ব্যবহারকারী ব্যক্তি এর মাধ্যমে বিভিন্ন রুটে যাতায়াত করতে পারবেন। ২০২২ সালের মধ্যে দিল্লি মেট্রোর পুরো নেটওয়ার্কে এই সুবিধাটি পাওয়া যাবে বলে নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন।
এই নতুন প্রযুক্তি সূচনার মাধ্যমে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মেট্রো পরিষেবাগুলির মধ্যে চলে আসতে পারে দিল্লির মেট্রো রেল কর্পোরেশন (DMRC)। ড্রাইভারহীন ট্রেন পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হবে, যা একেবারেই সুরক্ষিত থাকবে বলে আশ্বাস ডিএমআরসি-র। দিল্লি মেট্রোর জনকপুরী পশ্চিম-থেকে বোটানিক্যাল গার্ডেন পর্যন্ত (ম্যাজেন্টা লাইন)-এ চালকবিহীন ট্রেন পরিষেবা শুরুর পরে ২০২১ সালের মাঝামাঝি মজলিস পার্ক থেকে শিববিহার পর্যন্ত (পিঙ্ক লাইন)-এ চালকবিহীন ট্রেন পরিষেবা শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ম্যাজেন্টা লাইনে এই পরিষেবা চালু হওয়ায় ৩৭ কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে দিল্লি-NCR-এর যাত্রীরা তাদের সুবিধার্থে অত্যাধুনিক পরিষেবা ব্যবহার করতে পারবেন।
২০২৫ সালের মধ্যে দেশের ২৫টি শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু হয়ে যাবে বলেও এদিন ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে দেশে ২৪৮ কিলোমিটার পথে মেট্রো চলাচল করত। বর্তমানে সেই যাত্রাপথ বেড়েছে ৭০০ কিলোমিটারেরও বেশি। এটিকে ১৭০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বর্ধিত করার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের।
This website uses cookies.