ফিচার

World Refugee Day: বহুস্বরে উদ্বাস্তু সত্ত্বায় বিশ্ব, লিখেছেন ডঃ সৌমেন চক্রবর্তী

Published by
News Wave India Desk
Share it

ডঃ সৌমেন চক্রবর্তী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক, সাধনচন্দ্র মহাবিদ্যালয় (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়): উদ্বাস্তু অধিকার সম্পর্কিত আলোচনাকে শুধু আইনি দৃষ্টিকোণের রক্ষাকবচ পরানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে প্রকৃত অর্থে তার ব্যক্তিত্ব ও আত্মমর্যাদা এবং সর্বোপরি আত্মপরিচয়ের সংঘাত জনিত অবস্থাকে ধরা যাবে না। রাজনীতি যখন ক্ষমতার অপব্যবহার করে তখন তার প্রয়োজন হয় কিছু অংশে সহানুভূতিকে পাথেয় করার। সুরক্ষা প্রদানের গুণগত মানকে সক্ষমতা আনয়নের জন্য সহ্য ক্ষমতার বৃদ্ধি অপরিহার্য হয়ে ওঠে। এখান থেকেই কোনও একটি বিষয় রাজনৈতিক সত্ত্বায় পরিণত হয়।

দেশ বিদেশের উদ্বাস্তু সমস্যা নিয়ে প্রতিবেদন

উদ্বাস্তু অধিকার ঠিক সেইভাবেই নৈতিক শব্দ থেকে রাজনৈতিক সত্ত্বায় পর্যবসিত হয়, যেখানে অনেক ক্ষেত্রেই সাহায্য সহযোগিতা অনুসৃত হয়। সুরক্ষা প্রদানের আগেই ভারতবর্ষের উদাহরণ এক্ষেত্রে অন্যতম শরণার্থীদের দেখভাল ও পুনর্বাসনের প্রশ্ন। ভারত উদ্বাস্তু রক্ষার প্রশ্নে নয়, বিপন্ন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সাহায্য সহযোগিতার সাথে সংযুক্ত হয়ে যায়। সমাজতাত্ত্বিক রণবীর সমাদ্দারের মতে, The Indian States decisions care for Refugees and protect the minority are not petty tactical policies, but deep routed protection which is certain type of ‘মা বাপ সরকার’।

দেশ বিদেশের উদ্বাস্তু সমস্যা নিয়ে প্রতিবেদন

অন্য আরেক তাত্ত্বিক রুপকল্পের হাত ধরে বলা যায়, এই অবহেলিত মানুষ গুলোই হল আজকের রাজনৈতিক আধুনিকতার কেন্দ্রবিন্দু। সমাজতাত্ত্বিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতে, এই নবজাগরণের রাজনীতি একবিংশ শতাব্দীতে জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করার নিত্যনতুন প্রশাসনিক কার্যাবলী অনুষ্ঠিত হয়। সুরক্ষা এবং উন্নয়নের নামে গণচেতনা কে নিয়ন্ত্রণ করে নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করতে সদা ব্যস্ত থাকে, বিভেদ করে জনগণ এবং নাগরিকের মধ্যে। তাই উদ্বাস্তু অধিকার সম্পর্কিত আলোচনাকে শুধু আইনের দৃষ্টিকোণের রক্ষাকবচ পড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলেই চলবে না। তাকে তার প্রকৃত অর্থ অর্থাৎ তার ব্যক্তিত্ব আত্মমর্যাদা এবং সর্বোপরি আত্মপরিচিতির দিক থেকেও চিন্তা করতে হবে।

Share it
News Wave India Desk

Share
Published by
News Wave India Desk

This website uses cookies.