সাধারণ নাগরিকদের সাথে একই লাইনে দাঁড়িয়ে নিজের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড সংগ্রহ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যাায়
সোমবার নবান্নে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন তিনিও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেবেন। মঙ্গলবার সেই কথামতোই হরিশ মুখার্জি রোডে একটি কেন্দ্রে সাধারণ মানুষের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ হরিশ মুখার্জি রোডে ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের জয় হিন্দ ভবনে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। শিবিরে ছিলেন ওই ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর রতন মালাকার।
https://twitter.com/ANI/status/1346379413223473152?ref_src=twsrc%5Etfw
সেখানে শিবিরের কাজকর্ম প্রসঙ্গে রতন মালাকারের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরেই সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে ৩ জন মহিলা আবেদনকারীর পর লাইনে দাঁড়ান। কয়েক মিনিটের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর আঙুলের ছাপ সহ বায়োমেট্রিক তথ্য নিয়ে নেন কর্তব্যরত আধিকারিকরা। ১০ মিনিটের মধ্যেই কার্ড হাতে নিয়ে শিবির ছেড়ে নবান্ন চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড গ্রহণ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি একজন সাধারণ মানুষ। তাই সাধারণ মানুষের মতোই কার্ড নিলাম।”
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের সাড়ে সাত কোটিরও বেশি মানুষ এখনই স্বাস্থ্যসাথী পরিষেবার আওতায় এসেছেন। এই কার্ডের নিয়মানুযায়ী রাজ্যের প্রতিটি পরিবার বছরে পাঁচ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমার আওতাভুক্ত। এই কার্ডের সাহায্যে রাজ্যের যে কোনও সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ক্যাশলেস চিকিৎসা করানোর সুযোগ মিলবে।
This website uses cookies.